দেশের অন্যতম আম উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁ। কিন্তু দীর্ঘ খরায় গাছ থেকে ঝরে পড়ছে আমের গুটি। সেইসাথে বাড়তি খরচে হিমশিম খেতে হচ্ছে বাগানীদের। খরা মোকাবেলায় পরিকল্পিত ও স্থায়ী সমাধানের তাগিদ স্থানীয়দের।
চলতি মৌসুমে নওগাঁয় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে আম উৎপাদন হচ্ছে। এ বছর নতুন করে যোগ হচ্ছে ৫২৫ হেক্টর বাগান। এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় চার লাখ টন।
গাছে ভালো গুটি আসলেও দুশ্চিন্তা পিছু ছাড়ছে না বাগানীদের। দীর্ঘ খরায় আম ঝরে পড়ার পাশাপাশি বেড়েছে রোগ-বালাই। গাছে পানি ও ওষুধ ছিটিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ।
এদিকে, বৃষ্টির অভাবে ফলনে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। সেচ আর কীটনাশকের বাড়তি খরচে হিমশিম খাচ্ছেন বাগানীরা। খরা মোকাবেলায় পরিকল্পিত স্থায়ী পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ ক্ষতিগ্রস্ত এসব বাগানীদের।
খরা মোকাবেলায় এ অঞ্চলে এখনও তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তবে ফলন বিপর্যয় ঠেকাতে নানা পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ, এমন দাবি করেন জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, আমরা কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। গাছে সেচ দেয়া এবং সম্ভব হলে ১-২ দিন পরপর গাছে পানি স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
এ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় আম্রপালি আম। এছাড়া বাগানে আছে বাড়ি ফোর, নাগ ফজলি ও গুটি আম। জ্যৈষ্ঠের শুরুতেই বাজারে আসতে শুরু করবে এসব পাকা আম।
এসজেড/